দুর্বল ব্যাংকগুলোকে একীভূত করার উদ্যোগে জারি হওয়া ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ-২০২৫–এর কয়েকটি ধারা কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি এস কে তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এই রুল জারি করেন।
রিট আবেদন করেছেন পাঁচ ব্যাংকের কয়েকজন সেকেন্ডারি শেয়ারহোল্ডার। ব্যাংকগুলো হলো—সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক।
আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আরশাদুর রউফ।
রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, অধ্যাদেশের ১৬(এম), ২৮(৬), ২৮(৭), ৩০, ৩১, ৩৩, ৩৪, ৩৬, ৪৮, ৪৯, ৫০ ও ৫১ ধারা কেন সংবিধানের ২৭, ৩১, ৪০ ও ৪২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না। আইন সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক দুর্বল পাঁচ ব্যাংককে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ জন্য সপ্তাহজুড়ে শুনানি চলছে। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক ইতিমধ্যে একীভূত হওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে। তবে এক্সিম ব্যাংক এখনই এতে রাজি হয়নি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, একীভূত হতে যাওয়া ব্যাংকগুলোর সম্মিলিত মূলধন ঘাটতি ও খেলাপি ঋণ ছাড়িয়েছে ২ লাখ ৮৬ হাজার কোটি টাকা। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের পরিকল্পনা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সরকারের সম্মতি পেলে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো তহবিলে অর্থ দেবে।





















































