চট্টগ্রাম বন্দরে লালদিয়া কন্টেইনার টার্মিনালের অপারেটর হিসেবে বিদেশি প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালস নিয়োগ পাওয়ার পর বিভিন্ন সংগঠনের আন্দোলনকে ‘স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর প্রতিক্রিয়া’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
রোববার রাত ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি লেখেন, বন্দরে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির মাধ্যমে লাভবান একদল ব্যক্তি এখন বিভিন্ন অজুহাতে আন্দোলনে নেমেছেন। তাঁর ভাষায়, ‘যারা নিজেদের বিশেষজ্ঞ পরিচয় দেন, তাঁদের অনেকেই আসলে “বিশেষ অজ্ঞ”। পিপিপি কী—তা না জেনেই মন্তব্য করেন।’
এপিএম টার্মিনালস সম্পর্কে তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটি ডেনমার্কের এপি মোলার–মায়ার্সক গ্রুপের মালিকানাধীন। তারা বিশ্বের শীর্ষ ২০টি বন্দরের ১০টি পরিচালনা করে এবং ৩৩ দেশে ৬০টির বেশি টার্মিনাল পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
চৌধুরী আশিক বলেন, লালদিয়ায় বিশ্বমানের টার্মিনালটি এপিএম নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করবে। তিন বছরের নির্মাণকাজ শেষে ৩০ বছরের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পাবে তারা। কিছু শর্ত পূরণ হলে চুক্তির মেয়াদ আরও বাড়ানো যাবে।
পিপিপি প্রকল্পের মূল দলিল প্রকাশ না–করার বিষয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে–স্বীকৃত নিয়ম অনুযায়ী এসব দলিলে ব্যবসায়িক গোপনীয়তা থাকে। চুক্তি প্রকাশ করলে ভবিষ্যতের দরপত্র প্রক্রিয়ায় সরকার ‘ব্যাকফুটে’ চলে যেতে পারে। বিশ্বব্যাংক ও এডিবিও মূল দলিল নয়, বরং সারাংশ প্রকাশের পরামর্শ দেয়।
অপারেটর বাছাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি দাবি করেন, টেন্ডার আহ্বান থেকে প্রাক–যোগ্যতা, টেকনিক্যাল ও ফিনান্সিয়াল মূল্যায়ন—সবকিছুই পিপিপি নীতিমালার নিয়ম মেনে স্বচ্ছভাবে হয়েছে। এ জন্য নিরপেক্ষ পরামর্শক, আইনজীবী ও আন্তমন্ত্রণালয় কমিটিও নিয়োগ করা হয়েছে।




















































