নিজস্ব প্রতিবেদন
রাশিয়ার সঙ্গে বড় অস্ত্রচুক্তিতে যাচ্ছে ইরান। ফাঁস হওয়া গোপন নথি অনুযায়ী, মস্কো তেহরানকে ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ৪৮টি সু–৩৫ মাল্টিরোল ফাইটার জেট দেবে।
২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে এসব বিমান ইরানে পৌঁছানোর কথা। প্রতিটি বিমানে থাকবে আধুনিক খিবিনি–এম ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার পড ও ইরবিস–ই রাডার। ধারণা করা হচ্ছে, বিমানের যন্ত্রাংশ ইরানে এনে ইসফাহানের শাহিদ বাবায়ী ঘাঁটিতে সংযোজন করা হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই যুদ্ধবিমান চুক্তি ইরানকে কিছুটা আকাশশক্তি দেবে ঠিকই, তবে সংখ্যায় তা পর্যাপ্ত নয়। রাশিয়ার উৎপাদন সীমাবদ্ধতা ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে সরবরাহে দেরিও হতে পারে।
তেহরানের পুরনো এফ–১৪ ও এফ–৪ বিমানের পরিবর্তে এই সু–৩৫–গুলো দুইটি আধুনিক স্কোয়াড্রন গঠনে সহায়তা করতে পারে। তবে বিশ্লেষকদের প্রশ্ন—রাশিয়া কি প্রতিশ্রুতি রাখতে পারবে, নাকি এটি কেবল ইরানের জন্য শক্তির এক মরীচিকা হয়ে থাকবে?



















































