বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ১০ মে ২০২৫ তারিখে একটি জরুরি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর নেতাদের বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দলটির সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় আরোপিত হয়েছে এবং এতে দলটির অনলাইন ও অফলাইন উভয় কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ।
উপদেষ্টা পরিষদের এই বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সংশোধনীও অনুমোদিত হয়েছে, যা ট্রাইব্যুনালকে কোনো রাজনৈতিক দল, তার অঙ্গসংগঠন বা সমর্থক গোষ্ঠীকে শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা প্রদান করে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, জুলাই আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বাদী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ।
এই নিষেধাজ্ঞার পটভূমিতে উল্লেখযোগ্য যে, গত বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় শত শত মানুষের মৃত্যু ঘটে, যা শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটায়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং দলটির নেতাদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। এই পরিস্থিতিতে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠন আন্দোলন চালিয়ে আসছিল ।
এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর, সরকার আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে “জুলাই ঘোষণাপত্র” চূড়ান্ত করে প্রকাশ করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে ।(অনলাইন নিউজ পোর্টাল:: onp24.com)
এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে, যা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।






















































