ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটি) বাংলাদেশ চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে সরকারকে দিয়েছে ২৭ হাজার ১৯৬ কোটি টাকা রাজস্ব, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি।
তবে রাজস্ব বাড়লেও, কোম্পানির নিজস্ব ব্যবসায়িক পারফরম্যান্স এই সময়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির নিট রাজস্ব কমেছে ১৭ শতাংশ, দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭৫৪ কোটি টাকায়। একই সময়ে নিট মুনাফা প্রায় অর্ধেক কমে ৭২০ কোটি টাকায় নেমেছে।
কোম্পানির হিসেবে, সিগারেট বিক্রির পরিমাণ ২৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ২৩৯ মিলিয়ন শলাকায়। বিক্রিতে এই বড় পতন, উচ্চ আবগারি শুল্ক এবং মহাখালী কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে অতিরিক্ত ব্যয়—সব মিলিয়ে মুনাফা কমে গেছে।
সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানির প্রতি শেয়ারে নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১০৫.২২ টাকা, আর প্রতি শেয়ারে পরিচালন নগদ প্রবাহ ঋণাত্মক ২১.৭০ টাকা। বিএটি জানিয়েছে, বিক্রয় আদায় কমে যাওয়া এবং আবগারি শুল্ক বাড়ায় নগদ প্রবাহে চাপ তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুলাইয়ে বিএটি বাংলাদেশ মহাখালীর কারখানার কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়, কারণ সুপ্রিম কোর্ট ওই জমির লিজ নবায়নের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। একই সঙ্গে কোম্পানিটি সদর দপ্তর স্থানান্তর করে সাভারের আশুলিয়ায়।
মহাখালী কারখানার উৎপাদন বন্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিএটি প্রায় ২৯৭ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে সাভার কারখানার সম্প্রসারণে। নিজস্ব তহবিল ও ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।




















































