প্রতিবেদন:
বিশ্বে প্রথমবারের মতো আফগানিস্তানে ক্ষমতাসীন তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে রাশিয়া। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) তালেবান সরকারের নিয়োগকৃত রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র গ্রহণের মাধ্যমে এ স্বীকৃতি নিশ্চিত করে ক্রেমলিন।
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আফগানিস্তানের সঙ্গে নিরাপত্তা, সন্ত্রাস দমন, মাদকবিরোধী অভিযান ও অর্থনৈতিক খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে। জ্বালানি, কৃষি, পরিবহন ও অবকাঠামো খাতে যৌথ প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেছে মস্কো।
আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি রাশিয়ার পদক্ষেপকে ‘সাহসী’ এবং ‘অন্যান্য দেশের জন্য অনুকরণীয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করার পর এটাই প্রথম কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। এর আগে চীন, আরব আমিরাত, পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ দূতাবাস চালু করলেও আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার এই সিদ্ধান্ত শুধু আফগানিস্তান নয়, আন্তর্জাতিক রাজনীতির জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ। আফগানিস্তানে আইএস-কে’র মতো সন্ত্রাসী হুমকি মোকাবেলায় কাবুলকে মিত্র হিসেবে বিবেচনা করছে মস্কো।
তবে নারীর শিক্ষা ও অধিকার বিষয়ে তালেবান সরকারের সীমাবদ্ধতাই এখনো তাদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পথে প্রধান বাধা বলে মনে করছেন পশ্চিমা বিশ্লেষকরা।
সংযুক্ত বিষয়: রাশিয়া-আফগানিস্তান সম্পর্ক, তালেবান, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, ক্রেমলিন, ভ্লাদিমির পুতিন, আফগান নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক কূটনীতি।






















































