স্টাফ রিপোর্টার
জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে তফসিল ঘোষণার পর থেকে যেকোনো ধরনের অনুমতিহীন জনসমাবেশ ও আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ সময় এমন বেআইনি সমাবেশে অংশ নিলে আইনের আওতায় আনা হবে—আজ মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, কয়েক দিনের মধ্যেই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। এরপর নির্বাচন পর্যন্ত স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সরকার কঠোর অবস্থান নেবে।
সরকার জানিয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের লক্ষ্য রেখে এখন মূল গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচন নিশ্চিত করার দিকে। নির্বাচনী নিরাপত্তায় সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় নয় লাখ সদস্য মাঠে থাকবে—যা এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ। পুলিশ সদস্যদেরও রেকর্ডসংখ্যক দেড় লাখকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, গত দেড় বছরে দুই হাজারের বেশি আন্দোলন-বিক্ষোভ হয়েছে, এবং সরকারের পক্ষ থেকে ন্যায্য দাবিগুলো সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এখন দেশ নির্বাচনমুখী, তাই সব দাবি-দাওয়া নির্বাচন-পরবর্তী সরকারের কাছে জানাতে তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।
উপদেষ্টা বলেন, “আমরা আশা করি, কেউ যেন উত্তেজনা সৃষ্টি করে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্ন না করে।”























































