ঢাকার কাকরাইল মোড়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন, যার ফলে ওই এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
✊ আন্দোলনের পটভূমি
গতকাল, ১৪ মে, বুধবার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার উদ্দেশে লংমার্চ শুরু করেন। তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:(Prothomalo)
- ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে ৭০% শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন বৃত্তি চালু করা।
- প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করে অনুমোদন করা।
- দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ একনেক সভায় অনুমোদন দিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা। (Prothomalo)
🚨 পুলিশের হস্তক্ষেপ ও সংঘর্ষ
লংমার্চ কাকরাইল মসজিদের সামনে পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে বাধা দেয়। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন। (Facebook)
🪧 চলমান অবস্থান ও যানজট
সংঘর্ষের পর আন্দোলনকারীরা কাকরাইল মোড়ে অবস্থান নেন, ফলে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।
🏛️ প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া
ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম জানিয়েছেন, কাকরাইল এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে, তাই প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। (Prothomalo)
🗣️ সরকারের অবস্থান
তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তার ওপর পানির বোতল নিক্ষেপ করা হয়, ফলে তিনি বক্তব্য না দিয়েই স্থান ত্যাগ করেন। পরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন, তবে বিশ্ববিদ্যালয় এ ঘটনার দায় নেবে না বলে জানান।
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, সুস্পষ্ট ঘোষণা না পাওয়া পর্যন্ত তারা কাকরাইল মোড় ছাড়বেন না।






















































