উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানির কারণে সরকারি তহবিলে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হওয়ায় শিগগিরই জ্বালানির দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী ।
শুক্রবার চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কোরিয়ান ইপিজেডে এক অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকটের প্রভাবে জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় বেড়েছে। এতে সরকারকে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত থাকলে সরকারি তহবিল ক্ষয় হবে, যা উন্নয়ন ও সামাজিক সহায়তা কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এ পরিস্থিতিতে দেশের স্বার্থে একটি পর্যায়ে গিয়ে মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের অধিকাংশ জ্বালানি ওই অঞ্চল থেকে আমদানি করা হয় বলে বিকল্প উৎস থেকে বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে।
জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য জ্বালানি ব্যবহারে রেশনিং চালু করা হয়েছে। তার নিজের ক্ষেত্রেও ৩০ শতাংশ জ্বালানি রেশনিং করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তবে এখন পর্যন্ত দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। শিল্প, পরিবহন ও কৃষি কার্যক্রম সচল রাখতে সরকার সক্ষম হয়েছে বলেও জানান।
মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে সার ও খাদ্যপণ্যের দামও বাড়তে পারে, ফলে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ সৃষ্টি হবে। তবে অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এখনো জ্বালানির দাম বাড়ায়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।




















































