জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বরাদ্দ করা তহবিল বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। মালির মিনুসমা, লেবাননের ইউনিফিল, এবং কঙ্গোর মনুসকো শান্তিরক্ষা মিশনগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ একটি গোপন নথিতে এই প্রস্তাবের উল্লেখ রয়েছে।
জাতিসংঘ তহবিলে আমেরিকার ভূমিকা
- আমেরিকা জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় অনুদানদাতা দেশ।
- জাতিসংঘের বার্ষিক বাজেটের ২২% এবং শান্তিরক্ষা মিশনের বাজেটের ২৭% অর্থায়ন করে আমেরিকা।
- এই অনুদান আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাধ্যতামূলক ছিল।
বাজেট প্রস্তাব ও প্রভাব
স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রস্তাব:
- শান্তিরক্ষা তহবিলের বাজেট কমিয়ে আনতে ‘পাসব্যাক’ নথিতে সুপারিশ।
- সিআইপিএ (আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অবদান)-এর জন্য কোনো তহবিল বরাদ্দ রাখা হয়নি।
- প্রস্তাব অনুযায়ী, স্টেট ডিপার্টমেন্টের বাজেট প্রায় ৫০% কমানো হবে।
কংগ্রেসের ভূমিকা:
- চূড়ান্ত বাজেট কার্যকর করতে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।
- পূর্বে কংগ্রেস ট্রাম্পের কূটনীতি ও সহায়তা খাতে বাজেট কমানোর প্রস্তাব নাকচ করেছিল।
হোয়াইট হাউসের যুক্তি
- সাম্প্রতিক মিশনগুলোর ব্যর্থতা।
- অত্যধিক অনুপাতে দেওয়া নির্ধারিত চাঁদার কারণে তহবিল বন্ধ করার প্রস্তাব।
প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ প্রভাব
স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস বলেছেন, এখনো কোনো চূড়ান্ত পরিকল্পনা বা বাজেট অনুমোদন হয়নি।
তবে, প্রস্তাব কার্যকর হলে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে।
বিশ্বের অস্থিতিশীল অঞ্চলগুলোতে শান্তিরক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়া এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমেরিকার ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই পরিস্থিতি জাতিসংঘের কার্যক্রম ও বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।























































