বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এই তথ্য জানান।
উচ্চ পর্যায়ের কমিটির বৈঠকের পরে তিনি বলেন, “সিআইডির তদন্ত যখন পরিপক্ক পর্যায়ে পৌঁছেছিল, তখন সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম অভিযোগপত্রে উল্লেখ না করা হয়।” সিআইডির পক্ষ থেকে এ নির্দেশনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদন ও ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
উপদেষ্টা জানান, ফরাসউদ্দিনের রিপোর্টে যেসব নাম উঠে এসেছে, তাদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় তদন্তের সমন্বয়
তিনি আরও বলেন, “নিউইয়র্কে রিজার্ভ চুরির মামলা বিচারাধীন। বাংলাদেশে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক বিচার প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।” এ বিষয়ে ড. কামাল হোসেনের ল’ ফার্মের মতামত নেওয়া হবে।
দায়ীদের নাম প্রকাশ ও রাজনৈতিক প্রভাব
তৎকালীন গভর্নর আতিউর রহমানের তথ্য প্রকাশে বিলম্ব এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। উপদেষ্টা বলেন, “তদন্ত প্রক্রিয়ায় তৎকালীন সরকারের আমলে রাজনীতির সীমাহীন প্রভাব পড়েছিল।”
পরবর্তী বৈঠক
রিজার্ভ চুরির বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে রিভিউ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক আগামী ২৭ বা ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।



















































