২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)। এটি চলতি অর্থবছরের সংশোধিত এডিপির তুলনায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বেশি হলেও মূল এডিপির তুলনায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা কম। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সরকার অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এগোচ্ছে।
নতুন এডিপিতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাত, যার পরিমাণ ৫৮,৯৭৩ কোটি টাকা। এরপর রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩২,৩৯২ কোটি টাকা, শিক্ষা খাতে ২৮,৫৫৭ কোটি টাকা, গৃহায়ন ও কমিউনিটি সুবিধাবলী খাতে ২২,৭৭৬ কোটি টাকা এবং স্বাস্থ্য খাতে ১৮,১৪৮ কোটি টাকা। এই পাঁচটি খাতে মোট বরাদ্দের প্রায় ৭০ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানিয়েছেন, আগামী অর্থবছরের বাজেট হবে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের বাজেট। এতে দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যয় এড়িয়ে চলা হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর অতিরিক্ত ঋণের বোঝা চাপানো হবে না। তিনি আরও বলেন, সরকার বাজেট ঘাটতি জিডিপির চার শতাংশের মধ্যে রাখার চেষ্টা করবে এবং মূল্যস্ফীতি হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।























































