আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে যে বিচার বানচালের জন্য অর্থায়ন করা হয়েছে এবং নেপথ্যের কুশীলবদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে।” তবে তিনি এ অর্থের উৎস বা প্রকৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে আইসিটিতে ২৩টি মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ১৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছেন রাজনীতিবিদ, বিচারক, সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশ এবং সামরিক বাহিনীর সাবেক সদস্যরা।
চলতি মাসের শেষের দিকে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে আশুলিয়ায় হত্যার পর আগুনে পোড়ানো ছয়টি মৃতদেহের মামলার তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
আইসিটি প্রধান প্রসিকিউটর আরও বলেন, বিচারিক কার্যক্রম ব্যাহত করতে বিরোধীরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে, তবে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।























































