ঢাকা, সোমবার
দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে আমদানি বিল পরিশোধ বা এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দর ১২৩ টাকা ছাড়িয়েছে। সোমবার এলসি নিষ্পত্তিতে প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১২৩ টাকা ৪০ পয়সা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে।
ব্যাংক ও ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনায় ডলারের দর ২৫ থেকে ৪০ পয়সা পর্যন্ত বেড়েছে। গত বৃহস্পতিবার এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দর ছিল প্রায় ১২৩ টাকা ৫ পয়সা।
ব্যাংকাররা বলছেন, বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এই চাপ তৈরি হয়েছে। যদিও সরবরাহে বড় ধরনের সংকট নেই, তবে চাহিদা তুলনামূলক বেশি।
-এর তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ মাসে দেশের রপ্তানি আয় কমেছে। ২০২৬ সালের মার্চে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৪৫ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪২৫ কোটি ডলার—অর্থাৎ প্রায় ১৮ শতাংশ হ্রাস।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা আগাম ডলার নিশ্চিত করতে ফরওয়ার্ড বুকিং বাড়াচ্ছেন। এতে বাজারে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হচ্ছে।
ফরওয়ার্ড বুকিং হলো ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট সময়ে বৈদেশিক মুদ্রা বা পণ্যের দাম আগে থেকেই নির্ধারণ করে রাখার একটি প্রক্রিয়া, যা মূলত বিনিময় হার ওঠানামার ঝুঁকি কমাতে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাংক কর্মকর্তারা আরও জানান, জ্বালানি তেল আমদানির এলসি খোলার পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে, যা ডলারের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।
এদিকে জানিয়েছে, ডলারের চাহিদা-সরবরাহের ভারসাম্য রক্ষায় তারা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে বিনিময় হার রাখতে চায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের সর্বোচ্চ সীমা ১৩০ টাকা এবং সর্বনিম্ন সীমা ১২৫ টাকা নির্ধারণ করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা মনে করছেন, আমদানি বাড়লে চলতি হিসাবের ঘাটতি বাড়তে পারে, যা ডলারের বাজারে আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে।




















































