ঈদের দীর্ঘ ছুটি ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে মার্চ মাসে দেশের রপ্তানি আয়ে বড় পতন হয়েছে। সদ্য সমাপ্ত মাসে রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে প্রায় ১৮ শতাংশ।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৫ সালের মার্চে ছিল ৪ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার। এ নিয়ে টানা আট মাস রপ্তানি কমার ধারা অব্যাহত থাকল।
রপ্তানিকারকদের ভাষ্য, মূলত দুই কারণে এই পতন—ঈদের ছুটিতে ৭ থেকে ১০ দিন কারখানা বন্ধ থাকা এবং –এ চলমান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি। এর ফলে ক্রয়াদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বিদেশি ক্রেতারা।
দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকেও বড় ধাক্কা লেগেছে। মার্চে এ খাতের রপ্তানি কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতারা অর্ডার কমিয়ে দিয়েছেন, যার প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক রপ্তানিতে।
এ ছাড়া যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকট তৈরি হওয়ায় উৎপাদন ও পরিবহন খরচ বেড়েছে। বিশেষ করে ঘিরে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠায় বৈশ্বিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে রপ্তানি খাতে চাপ আরও বাড়তে পারে। তবে অর্থবছরের বাকি মাসগুলোতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।




















































