মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা নতুন শুল্ক থেকে চলতি বছর ২০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) এ তথ্য জানিয়েছে।
সোমবার (যুক্তরাষ্ট্র সময়) এক বিবৃতিতে সিবিপি জানায়, ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসনের জারি করা ৪০টিরও বেশি নির্বাহী আদেশের আওতায় এই শুল্ক আদায় হয়েছে। এই হিসাব ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে আরোপিত নতুন শুল্ক থেকে পাওয়া রাজস্বের; প্রথম মেয়াদের শুল্ক এতে অন্তর্ভুক্ত নয়।
চলতি বছরের শুরুতে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই বিশ্বের অধিকাংশ দেশের পণ্যের ওপর ‘পারস্পরিক শুল্ক’ আরোপ করেন ট্রাম্প। পাশাপাশি কানাডা, চীন ও মেক্সিকোর পণ্যের ওপর তথাকথিত ‘ফেন্টানিল শুল্ক’ বসানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচার ঠেকাতে ব্যর্থতার অভিযোগে এসব শুল্ক আরোপ করা হয়েছে বলে দাবি করে ট্রাম্প প্রশাসন।
এদিকে নতুন শুল্কগুলোর বৈধতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলছে। আদালত যদি শুল্কগুলোকে বেআইনি ঘোষণা করেন, তাহলে ইতোমধ্যে শুল্ক পরিশোধ করা প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থ ফেরত পাওয়ার দাবি তুলতে পারে।
সিবিপির তথ্যমতে, নভেম্বর মাসে শুল্ক আদায় কিছুটা কমে আসে। ওই মাসে আদায় হয় ৩০ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার, যা আগের মাসের তুলনায় সামান্য কম। পণ্য আমদানি কমে যাওয়া এবং কিছু শুল্কহার কমানোর সিদ্ধান্ত এর পেছনে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে সিবিপির কমিশনার রডনি স্কট বলেন, কঠোর নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখছে।




















































