৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণের শর্ত বাস্তবায়ন কতটা হয়েছে—তা যাচাই করতে আগামীকাল (বুধবার) ঢাকায় আসছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পর্যালোচনা মিশন।
অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মিশন সদস্যরা বুধবারই বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন। দুই সপ্তাহের সফরে তারা রাজস্ব বোর্ড, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, কৃষি মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও আলোচনা করবেন।
আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের ঋণচুক্তি অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসে ঋণের পঞ্চম কিস্তি ছাড় হওয়ার কথা ছিল। তবে সম্প্রতি সংস্থাটি জানিয়েছে, ডিসেম্বর নয়—আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে মার্চ–এপ্রিলে এই কিস্তি ছাড় করা হবে।
ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত আইএমএফ–বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে সংস্থার কর্মকর্তারা বাংলাদেশকে এ সিদ্ধান্ত জানান। আইএমএফের ওই অবস্থানের কথা নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরও।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আইএমএফের কিস্তি ছাড় না করার সিদ্ধান্তের পর বাংলাদেশ প্রথমে রিভিউ মিশন না পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। সরকারের যুক্তি ছিল—যেহেতু কিস্তি ছাড় হচ্ছে না, তাই নির্বাচনের পর নতুন সরকারের সময়ে পর্যালোচনা করা যেতে পারে। তবে আইএমএফ সেই প্রস্তাব নাকচ করায় শেষ পর্যন্ত ঢাকা রিভিউ মিশন গ্রহণে সম্মতি দিয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ছাড়া বাকি প্রায় সব শর্তই পূরণ করেছে বাংলাদেশ। মিশন এবার সেই বিষয়গুলো যাচাই করবে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ২০২৩ সালে আইএমএফের কাছ থেকে ৫.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন পায়। এর মধ্যে চার কিস্তির অর্থ ইতিমধ্যে ছাড় করা হয়েছে।
চাইলে আমি এটিকে প্রথম আলো অনলাইন সংস্করণের মতো সম্পূর্ণভাবে (ছবি ক্রেডিট, উদ্ধৃতি হাইলাইট, শেষের সারাংশ বাক্যসহ) সাজিয়ে দিতে পারি। চাইবেন?























































