লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির কাছ থেকে অর্থ নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অভিযোগে অবশেষে কারাগারে যেতে হলো ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলা সারকোজিকে। মঙ্গলবার আদালতের রায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড শুরু করেন তিনি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির সহযোগী নেতা ফিলিপ পেঁতার পর এই প্রথম কোনো সাবেক ফরাসি প্রেসিডেন্ট কারাগারে গেলেন।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা সারকোজি প্যারিসের মনপারনাস এলাকার লা সাঁতে কারাগারে প্রবেশ করেন স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে। এ সময় আশপাশের রাস্তায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
৭০ বছর বয়সী সারকোজিকে একা সেলে রাখা হয়েছে। কারাগারটিতে বেশিরভাগই কুখ্যাত অপরাধী, মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসবাদে দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি থাকায় নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কারাগারে যাওয়ার পথে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে সারকোজি লেখেন, “আজ সকালে ফরাসিরা কোনো সাবেক প্রেসিডেন্টকে নয়, এক নির্দোষ মানুষকে বন্দি করছে। আমার কোনো সন্দেহ নেই, সত্যের জয় হবেই। তবে এই মূল্যটা খুবই কঠিন।”
তিনি আরও লেখেন, “আমার জন্য দুঃখিত হবেন না, আমার স্ত্রী কার্লা ব্রুনি ও সন্তানরা আমার পাশে আছে। কিন্তু আজ আমি গভীরভাবে কষ্ট পাচ্ছি প্রতিশোধপ্রবণ মানসিকতায় অপমানিত এক ফ্রান্সের জন্য।”
সারকোজির আইনজীবী ক্রিস্টোফ ইনগ্রাঁ জানিয়েছেন, তার মুক্তির জন্য আবেদন করা হয়েছে। অন্তত তিন সপ্তাহ থেকে এক মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সারকোজি শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছেন। তিনি দাবি করছেন, লিবিয়া থেকে কোনো অর্থ গ্রহণ করেননি এবং পুরো মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।




















































