বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে সরকারের তিনটি প্রধান দায়িত্বের কথা উল্লেখ করেছেন: জাতীয় নির্বাচন আয়োজন, কিছু জরুরি সংস্কার বাস্তবায়ন, এবং খাতভিত্তিক সংস্কারের রূপরেখা প্রণয়ন। তিনি জানান, সরকার একটি নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে, যা ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে ।
ড. সালেহউদ্দিন আরও বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে, তবে তা ‘ক্যাঙ্গারু কোর্টের’ মতো নয়, বরং সঠিক প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হবে। তিনি আসন্ন জাতীয় বাজেটের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক ২ জুন উপস্থাপন করবেন, যা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম বাজেট হবে।
এনবিআর বিভাজন প্রসঙ্গে তিনি জানান, নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়ন একসঙ্গে করা যায় না; তাই এনবিআরকে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। নীতিমালা বিভাগে অর্থনীতিবিদ ও পরিসংখ্যানবিদরা কাজ করবেন, যারা দেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস প্রদান করবেন। তিনি আশ্বস্ত করেন, এনবিআর কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে সবকিছু চূড়ান্ত করা হবে এবং সবার প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।
রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, সরকার একটি জাতীয় নির্বাচন দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে, এবং সব রাজনৈতিক দলই একটি ভালো নির্বাচন চায়। তিনি আশাবাদী যে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং নির্বাচনী ব্যবস্থা ঠিক থাকবে।
এই বিবৃতিগুলো সরকারের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা প্রদর্শন করে, যা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।






















































