জাতীয় ঐক্য ও সংহতি পরিষদ নামে নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

0
194

সোমবার ৫মে জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে বাংলাদেশের কাঙ্খিত আগামীর “জাতীয় সরকার” এর রূপরেখার উপর আলোচনা সভা ও “জাতীয় ঐক্য ও সংহতি পরিষদ” এর আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তারা জাতীয় সরকার” এর পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা প্রণয়নে ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

সংগঠনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন,জাতীয় সরকার হল সেই সরকার ব্যবস্থা যেখানে একটি দেশের ও জাতির কল্যাণকর রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থার ঐক্যবদ্ধ ও সমবেত সরকার গঠন ও এর সুশাসনের নিশ্চিৎ প্রতিফলন। যেখানে জনগণের ইতিবাচক, কল্যাণকর সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং এর ফল জনগন উপভোগ করবে। এখানে শাসক কখনো শোষক হবেনা। শাসক সবসময় জনগনের দ্বারা মনোনীত ও জনগনের সদিচ্ছার প্রতিফলনকারী হবেন। এখানে সকল শ্রেনী পেশার মানুষের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও পরিচালন নিশ্চিৎ হবে তথা জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন,জুলাই বিপ্লবের/গণঅভুত্থানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত সরকারকে আরো শক্তিশালী কাৰ্য্যকর ও গতিশীল করতে এ সরকারের কলেবর, যুক্তিক বৃদ্ধি সাধন ও মৌলিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করণের ন্যায্য কল্যাণকর রাষ্ট্র পরিচালননীতি অনুসরণের (সাংবিধানিক ধারা প্রবর্তন করা) মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃত্বের মধ্য হতে ন্যায় দন্ডে মান উত্তীর্ণ হয়েছেন এমন সর্বজন স্বীকৃত সত্যিকার ভালো মানুষ দেশ প্রেমিক নেতৃত্ব যাচাই-বাছাই এর মাধ্যমে আদর্শ জনপ্রতিনিধি, সমাজবিদ, পেশাজীবি ব্যক্তিদের নিয়ে আগামী ৪/৫ বছরের জন্য জনকল্যাণ মূলক সরকার গঠন করা। এখানে থাকবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিনিধীর সাথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবি সংগঠনের আদর্শিক মানদন্ডে উত্তীর্ণ নেতৃত্ব অংশগ্রহণের মাধ্যমে কল্যাণকর, গঠনমূলক ইতিবাচক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে সরকার গঠিত হবে।

বক্তারা একটি জাতীয় সরকারের রূপরেখা উপস্থাপন করেন,রাষ্ট্রপতি (জনাব ড. মুহাম্মদ ইউনুস) উপ-রাষ্ট্রপতি (জনাব ড. বদিউল আলম মজুমদার)
প্রধান মন্ত্রি (জনাব তারেক রহমান)
উপ প্রধান মন্ত্রি (জনাব ডাঃ শফিকুর রহমান)

নতুন মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হবেন যারা তারা শুধুমাত্র প্রতিমন্ত্রি ও উপমন্ত্রি পদে নিযুক্ত হবেন।এক্ষেত্রে যে আনুপাতিক হার অনুসরণ করা হবে।

বিএনপি ২৫% জামায়ত: ২০% এনসিপি: ১৫%
ইসলামি আন্দোলন ৫%বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি: ১০%
বাকী রাজনৈতিক দল হতে ২৫%জাতীয় সনদে বর্তমান সংবিধানে অপরিসীম প্রধানমন্ত্রির ক্ষমতাকে রাষ্ট্রপতি, উপ-রাষ্ট্রপতি ও উপ-প্রধানমন্ত্রিদের বন্টনের মাধ্যমে সুষ্ঠু সমতা আনয়ন করা হবে এবং স্বেচ্ছাচারী ও স্বেচ্ছাচারী মনোভাব মুক্ত ক্ষমতার বিকেন্দ্রীয়করণ/সমতা আনা হবে। এছাড়া এজন্য রাষ্ট্র বিজ্ঞানী, সমাজ বিজ্ঞানী, সুশীল সমাজ প্রতিনিধী, বিশিষ্ট জন সহ সমাজের সর্বস্তরের জনগণের মতামত গ্রহণ করা হবে।

উক্ত আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ঐক্য ও সংহতি পরিষদের আহ্বায়ক, মোঃ নাজিমুল হক ,বক্তব্য রাখেন ড. হাসনান আহমেদ, কলামিস্ট ও শিক্ষাবিদ, জনাব এস. এম ফরমানুল ইসলাম, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট, ড. সাবের আহমেদ চৌধুরী, চেয়ারম্যান, শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যায়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মোঃ আলমগীর, নির্বাহী পরিচালক, অপকা, মোঃ তারিকুল ইসলাম, ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক, আলমগীর হোসেন, ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ

Previous articleখালেদা জিয়ার দেশে ফেরা: উষ্ণ অভ্যর্থনার প্রস্তুতি
Next articleলন্ডন থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন খালেদা জিয়া

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here