বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে ভারী বর্ষণ এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বহির্নোঙ্গরে পণ্য খালাস কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় জাহাজজট এবং টার্মিনালে কনটেইনার জটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
- লাইটারিং কার্যক্রম স্থগিত:
বন্দরের বহির্নোঙ্গরে বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে পণ্য খালাস আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে পণ্য পরিবহন ধীরগতিতে চলছে। - জাহাজ ভেসে আসার ঘটনা:
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে চারটি লাইটার জাহাজ তীরে ভেসে এসেছে, যার মধ্যে দুটি আনোয়ারা ও দুটি পতেঙ্গা এলাকায় আটকে যায়। - কর্মপ্রবাহ হ্রাস:
বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক দিনের তুলনায় ৪০-৪৫% কমে গেছে। কেবল পানিতে ভিজলেও ক্ষতি না হওয়া পণ্য ওঠানো হচ্ছে। - কনটেইনার জট:
বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বন্দরে মজুদ ছিল ৪২,৩১৮ টিইইউ কনটেইনার, যা বন্দরের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতার কাছাকাছি। - জলাবদ্ধতার উন্নতি:
উন্নত নালা ও খাল পরিষ্কার করায় এবার বড় ধরনের জলাবদ্ধতা দেখা যায়নি। তবে বাদুরতলা ও বহদ্দারহাটের কিছু এলাকায় অস্থায়ী জলাবদ্ধতা হয়েছিল। - পাহাড়ের ঢালে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস:
করপোরেশন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়িয়েছে এবং বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। - আবহাওয়ার সতর্কতা:
আবহাওয়া অধিদপ্তর ৩ নম্বর সতর্কসংকেত জারি করেছে এবং দুই-তিন দিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে।




















































