“অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না”
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ❐
মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনা ঠেকাতে সারাদেশে এখন থেকেই চিরুনি অভিযান শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
রোববার (১৩ জুলাই) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের ১১তম সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন,
“পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার এখন থেকেই চিহ্নিত অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের ধরতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করবে।”
🔍 মিটফোর্ড হত্যা: দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার উদ্যোগ
মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন,
“চাঁদা না পেয়ে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার বিষয়টিকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। ঘটনায় এফআইআরে নাম থাকা ১৯ জনের মধ্যে ৭ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
তার ভাষায়,
“ভিডিও ফুটেজ দেখে ৬ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়—অপরাধী অপরাধীই। সে যেই দলের, যেই পরিচয়েরই হোক না কেন।”
👮♂️ কোথায় কী অভিযান?
- ঘটনার দিন বুধবার সন্ধ্যায়, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকেই দুজনকে আটক করে।
- র্যাব, সেনাবাহিনী ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে শুক্রবার ও শনিবার আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
- বাকিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা বাহিনী ঢাকার বাইরেও তৎপর।
💬 চিরুনি অভিযান এখন থেকেই
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে উপদেষ্টা বলেন,
“বিশেষ অভিযান কখন শুরু হবে—এই প্রশ্নের জবাবে বলব, এখন থেকেই।”
তিনি জানান, সব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড—খুন, চাঁদাবাজি, মাদক, নারী নির্যাতন—রোধে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি এবার বিশেষভাবে চিহ্নিত অপরাধীদের ধরতেই ‘চিরুনি অভিযান’ চলবে।
📢 সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান
উপদেষ্টা বলেন,
“জনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী যেকোনো কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করা হবে। এজন্য গণমাধ্যম, রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, শিক্ষক ও অভিভাবকদেরও দায়িত্ব আছে।”
তিনি আরও বলেন,
“অপরাধ ঠেকাতে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথেষ্ট নয়। সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। নৈতিক অবক্ষয় ও অসহিষ্ণুতা কমাতে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।”























































