দেশে অক্টোবর মাসে মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৮.১৭ শতাংশ, যা গত সেপ্টেম্বরে ছিল ৮.৩৬ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৩৯ মাসে এটি সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতির হার।
এর আগে ২০২২ সালের জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি ছিল ৭.৪৮ শতাংশ, এরপর থেকে তা ঊর্ধ্বমুখী ছিল। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি সর্বোচ্চে পৌঁছেছিল ১১.৬৬ শতাংশে।
বিবিএস জানায়, অক্টোবর মাসে খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৭.০৮ শতাংশে—যা গত ৪২ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। তবে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯.১৩ শতাংশ।
বিশ্লেষকরা বলছেন, গ্রামে সাধারণ মূল্যস্ফীতি কমলেও শহরে সামান্য বেড়েছে। উভয় জায়গাতেই খাদ্যদ্রব্যের দাম কিছুটা কমেছে, কিন্তু পোশাক, বাসা ভাড়া, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো খাতে ব্যয় বেড়েছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী,
- গ্রামীণ এলাকায় সাধারণ মূল্যস্ফীতি: ৮.১৬%
- শহর এলাকায় সাধারণ মূল্যস্ফীতি: ৮.৩৩%
- জাতীয় পর্যায়ে মজুরি বৃদ্ধি হার: ৮.০১%
বিশ্বব্যাংকের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, “খাদ্যদ্রব্যের দাম কমার প্রভাব এখন দৃশ্যমান হলেও, খাদ্যবহির্ভূত খাতে চাপ রয়ে গেছে। এ কারণে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি আরও কিছুদিন উচ্চ পর্যায়েই থাকতে পারে।”
অর্থনীতিবিদদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ায় খাদ্যখাতে দাম কমেছে। তবে অভ্যন্তরীণ বাজারে পরিবহন ব্যয় ও জ্বালানি খরচ না কমায় অন্যান্য খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।






















































