যে পাকিস্তানের মাঠে কিছুদিন আগেই হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল বাংলাদেশ, সেই পাকিস্তানকে ঘরের মাঠে দাঁড়াতেই দিল না টাইগাররা। তরুণদের নিয়ে গড়া এই দল এখন শুধু প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নয়, জয়ের অভ্যাস গড়ে তুলছে। টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেই ৭ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে বাংলাদেশ বুঝিয়ে দিল—তারা এখন অন্যরকম বাংলাদেশ।
রোববার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। জবাবে ২৭ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন দল।
৯ বছর পর পাকিস্তানের বিপক্ষে এই জয়কে অনেকে নতুন যুগের সূচনা হিসেবেই দেখছেন। মিরপুরের স্লো উইকেট যেন আবারও একবার ‘কাটার মাস্টার’ মোস্তাফিজুর রহমানকে ফিরিয়ে এনেছে পুরনো রূপে। মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে তিনি গড়েছেন টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সর্বনিম্ন রান দেওয়ার রেকর্ড। তাসকিন নেন সর্বোচ্চ ৩ উইকেট।
পাকিস্তানের হয়ে একমাত্র ফখর জামান লড়াই করেছেন কিছুটা। ৩৪ বলে করেন সর্বোচ্চ ৪৪ রান। কিন্তু বাকিরা ছিলেন ছন্দহীন। রানআউট, বাজে শট, চাপ—সবমিলিয়ে ব্যাটিংয়ে এক কথায় ব্যর্থ পাকিস্তান।
জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই তানজিদ হাসান তামিম ও পরের ওভারে লিটন দাস ফিরে যাওয়ায় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। তবে পারভেজ হোসেন ইমন ও তাওহিদ হৃদয়ের ৭৩ রানের জুটি বাংলাদেশকে জয়ের পথ দেখায়। ৩৬ রান করেন হৃদয়। আর ইনিংস শেষ করেন ইমন ও জাকের আলি অনিক।
ইমন ৩টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৫৬ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ শেষ করেন। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে এটি আরেকটি স্মরণীয় জয়।
📊 স্কোর সংক্ষেপ:
পাকিস্তান: ১১০ (১৯.৩ ওভারে)
বাংলাদেশ: ১১৪/৩ (১৫.٣ ওভারে)
🎖️ ম্যাচ সেরা: মোস্তাফিজুর রহমান (৪-০-৬-২)





















































