বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ ২০২৫’ গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে, যা বাংলাদেশ ব্যাংককে যেকোনো তফসিলি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংকসহ, সাময়িকভাবে অধিগ্রহণের ক্ষমতা প্রদান করে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা।
অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ব্যাংকের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবং অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যদি ব্যাংকের তহবিল জালিয়াতি বা অপব্যবহারে জড়িত থাকেন, তবে তারা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবেন; ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। The Financial Express
অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক দুর্বল ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অস্থায়ী প্রশাসক নিয়োগ, মূলধন পুনর্গঠন, সম্পদ ও শেয়ার তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর এবং প্রয়োজনে ব্যাংকের কার্যক্রম স্থগিত বা বন্ধ করার ক্ষমতা পাবে। এছাড়া, “ব্রিজ ব্যাংক” প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দুর্বল ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ থাকবে, যা পরবর্তীতে বিক্রয়যোগ্য হবে। The Daily Star
ব্যাংকিং খাতে সংকট মোকাবিলায় একটি সাত সদস্যের ‘ব্যাংকিং সেক্টর ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কাউন্সিল’ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার নেতৃত্ব দেবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। এই কাউন্সিল প্রতি তিন মাসে বৈঠক করে জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণ করবে। Jagonews24
অধ্যাদেশ লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানা এবং প্রতিদিনের জন্য ৫,০০০ টাকা অতিরিক্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।




















































