দুর্বল ব্যাংকের ঘুরে দাঁড়াতে ৫–১০ বছর সময় লাগবে: গভর্নর
ঢাকা, ৪ মার্চ ২০২৫: দেশের দুর্বল ব্যাংকগুলোকে তাদের আর্থিক অবস্থান শক্তিশালী করতে ৫ থেকে ১০ বছর সময় লাগতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রহিম। ব্যাংকগুলোর সামগ্রিক অবস্থা এবং পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি পর্যালোচনা করে এ মন্তব্য করেন তিনি।
গভর্নর বলেন, “বর্তমানে দেশের কিছু ব্যাংক আর্থিক সংকট এবং উচ্চপরিমাণ অনাদায়ী ঋণের চাপে রয়েছে। এ অবস্থার পরিবর্তন এবং একটি স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরে আসতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।”
প্রধান চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দুর্বল ব্যাংকগুলোর অন্যতম চ্যালেঞ্জ হলো:
- অতিরিক্ত অনাদায়ী ঋণ (এনপিএল): ব্যাংকগুলোর অনেক ঋণই অনাদায়ী, যা তাদের সঞ্চালন ক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করছে।
- দক্ষতার ঘাটতি: অনেক ব্যাংকে সুশাসন এবং অভিজ্ঞ নেতৃত্বের অভাব রয়েছে।
- পর্যাপ্ত মূলধনের সংকট: ব্যাংকগুলোর মূলধন পর্যাপ্ততার অভাব তাদের উন্নয়নের পথে বড় বাধা।
সম্ভাব্য সমাধান
গভর্নরের মতে, সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর পুনর্গঠনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঋণ পুনর্গঠন, মূলধন পুনরুদ্ধার, এবং সুশাসন জোরদার করার পদক্ষেপ। তদ্ব্যতীত, ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে আরও দক্ষ করতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও চালু করা হবে।
ভবিষ্যতের প্রত্যাশা
গভর্নর বলেন, “যথাযথ নীতিমালা এবং সরকারি সহায়তা থাকলে দুর্বল ব্যাংকগুলো আগামী ৫–১০ বছরের মধ্যে স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরে আসবে। তবে, এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের আর্থিক খাত আরও মজবুত হবে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।



















































