গাজায় দুই বছরের নির্বিচার আগ্রাসনের পর যুক্তরাজ্য ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছে। আগামী বছর থেকে রয়েল কলেজ অব ডিফেন্স স্টাডিজ-এ (Royal College of Defence Studies) ইসরায়েলি সেনারা কোনো প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারবেন না। ডাউনিং স্ট্রিটের এই সিদ্ধান্ত ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পর নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা দপ্তরের মুখপাত্র জানিয়েছেন, সকল সামরিক প্রশিক্ষণ আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। কিন্তু গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এই মানদণ্ডের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, “যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধ করা, জিম্মিদের ফিরিয়ে আনা ও ত্রাণ সরবরাহ বাড়ানো প্রয়োজন।”
ইসরায়েল এই নিষেধাজ্ঞাকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ এবং ‘মিত্রের বিশ্বাসভঙ্গ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। মেজর জেনারেল আমির বারাম দাবি করেন, ইসরায়েলের সামরিক অভিযান হুতিদের থেকে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল সুরক্ষা দেওয়া ও হামাসের হাতে থাকা ৪৮ জিম্মিকে উদ্ধার করা লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে।
সম্প্রতি ব্রিটেন-ইসরায়েলের সম্পর্ক টানাপড়েনের মধ্যে রয়েছে। লন্ডন ইসরায়েলের কিছু বাণিজ্য আলোচনাও স্থগিত করেছে। এর মধ্যেও দুই দেশ নিজেদের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে বিবেচনা করছে। তবে সামরিক অ্যাকাডেমিতে নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়িয়েছে।




















































