স্টাফ রিপোর্টার | ১৬ জুন ২০২৫ | ঢাকা
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা। বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ খবর প্রকাশ করে গণমাধ্যমটি। হামলার সময় একটি সরাসরি সম্প্রচারের ভিডিওতে দেখা যায়, সংবাদ উপস্থাপিকা সাহার ইমামি খবর পড়ার সময় হঠাৎ বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং সঙ্গে সঙ্গে চারপাশে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। উপস্থাপিকাকে নিরাপদে সরে যেতে দেখা যায়।
ঘটনার কিছুক্ষণ আগে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এক হুমকিতে বলেন, “ইরানের প্রচার ও উসকানির মুখপাত্র অদৃশ্য হতে চলেছে।” তিনি জানান, তেহরানের সেই এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এর পরপরই হামলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত এখনও জানা যায়নি। তবে হামলার পর সাহার ইমামি আবার সরাসরি সম্প্রচারে ফিরে আসেন বলে জানিয়েছে মেহের নিউজ এজেন্সি।
এদিকে, ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দুই নেতা সোমবার এক ফোনালাপে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং চলমান সংঘাত নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন, সংঘাত নিরসনের একমাত্র পথ হলো কূটনৈতিক আলোচনা।
রুশ বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স জানিয়েছে, ক্রেমলিন থেকেও হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে এবং উভয় নেতা ইসরায়েলের “বলপ্রয়োগমূলক হামলা”র বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়, “এই সংঘাত ইতোমধ্যেই বহু প্রাণহানি ঘটিয়েছে এবং গোটা অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সকল বিরোধ রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিকভাবে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত।”
বিশ্লেষকদের মতে, পুতিন ও এরদোয়ানের এই বার্তা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ নয়, আলোচনার পরিবেশ গড়ে তুলতে একটি বড় কূটনৈতিক প্রয়াস। এখন দেখার বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ এই বার্তাকে কতটা গুরুত্ব দেয়।























































