আয়োজকদের হিসাবে সমাবেশে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পুলিশের হিসাবে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২০ হাজার। গাজা যুদ্ধের পর দেশটিতে এটাই সবচেয়ে বড় জনসমাগম।
বিক্ষোভকারীরা হাতে নিয়ে এসেছিলেন ফিলিস্তিনের পতাকা ও নানা প্ল্যাকার্ড। তাদের কণ্ঠে ছিল আরেকটি স্লোগান—‘গণহত্যাকে স্বাভাবিক করা যাবে না’।
‘আওতেরোয়া ফর প্যালেস্টাইন’ সংগঠনের মুখপাত্র ড. আরামা রাতা জানান, গত মাসে সিডনিতে হওয়া বিশাল সমাবেশ তাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আদিবাসী মাউরিদের ভাষায় নিউজিল্যান্ডকে বলা হয় ‘আওতেরোয়া’। আয়োজকরা অকল্যান্ডের প্রধান সেতুটি বন্ধ করতে চেয়েছিলেন। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, সমাবেশে কোনো গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেনি। বিক্ষোভ শেষে রাস্তা আবার চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
আয়োজকদের দাবি, নিউজিল্যান্ড সরকার যেন ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। গত মাসে প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লুক্সন গাজায় ইসরায়েলি হামলা ও মানবিক সহায়তার সংকটকে ‘খুবই ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। দেশটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়েও ভাবছে।
নিউজিল্যান্ডে প্রায় ১০ হাজার ইহুদি বাস করেন। তাদের সংগঠন জুইশ কাউন্সিলের মুখপাত্র বেন কেপেস শান্তিপূর্ণ সমাবেশকে স্বাগত জানালেও ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।




















































